নারীরা মি’ল’নের চেয়েও বেশি পছন্দ করে যে বিষয়গুলো!

প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে পু'রুষদের কাছে যৌ’নতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা নারীদের কাছে যৌ’নসুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যৌ’ন সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পু'রুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা।

কী করলে আপনার সঙ্গিনী খুশি হবেন, তারই কিছু সহজপাঠ এখানে দেয়া হলো। ব্যক্তি বিশেষে এই চাহিদার রকমফের হলেও দেখা গিয়েছে কমবেশি এই ব্যবহারই কামনা করেন অধিকাংশ নারী।

০১. যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আলতো চু’ম্বন। জোর করে নয়, দুপক্ষের সম্মতিতেই এই চু’ম্বন হওয়া বাঞ্ছনীয়। ০২. দ্বিতীয়ত, স্প’র্শ। পোশাকি ভাষায় যাকে বলে গুড টাচ।

০৩. গভীর আ’লি’ঙ্গন। যাতে থাকবে সারাজীবন পাশে থাকার ইঙ্গিত। এই বিষয়গুলি নারীদের কাছে যৌ’ন’তার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

০৪. যৌ’ন মি'ল'নের পর গভীর আ’লি’ঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে ঘুমোনোটাও অধিকাংশ নারীই পছন্দ করেন। ০৫. একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়।

০৬. পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটা, উপহার, বিশেষ মুহূর্তে “ভালোবাসি” বলা, মজার খুনসুটি, মজার কোন ইঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কোয়ারেন্টিনে একঘেয়েমি কাটাবেন কিভাবে?

বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছে করোনাভাইরাস যার পোশাকি নাম কোভিড-১৯। এর আঘাতে প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে মারা যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতিদিন ৫০ -৬০ হাজার থেকে শুরু করে কখনও কখনও লক্ষাধিক মানুষ। আর এটি থেকে বাঁচতে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন বা ঘরবন্দি জীবন।

আর কারও মধ্যে করোনার সামাণ্য লক্ষণ দেখা দিলেই তিনি নিজেকে করছেন কোয়ারেন্টিন। এর অর্থ হচ্ছে পরিবার ও আশপাশের সবকিছু থেকে নিজেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা যাতে তার দ্বারা অন্য কেউ সংক্রামিত না হন। অর্থাৎ এই অবস্থায় থাকা মানুষটি সম্পূর্ণ একা। তার পাশের ঘরেই হয়তো সবাই মিলে হাসছে বা গল্প করছে, অথচ তার কাছে কেউ নেই। এ অবস্থায় হতাশা বা বোরিংনেস আপনার অনেক ক্ষতি করতে পারে, শারীরিক ও মানসিক দু দিক দিয়েই।

তাই কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি নিজেকে উৎফুল্ল রাখতে হবে। ভুলে যান করোনা নামক দানবের কথা। কীভাবে ভুলবেন? চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক কিছু টিপস:

সবার আগে স্বাস্থ্য: এ অবস্থায় নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন যাতে আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন এবং আপনার নিঃসঙ্গ জীবনের অবসান ঘটে। সারাক্ষণ শুয়েবসে থাকার দরকার নেই। যতটা সম্ভব নিজের ঘরেই হাঁটাচলা করুন। হাঁটাচলা কম করলে আবার অন্য অসুখে আকান্ত হতে পারেন। চাইলে ঘরের মধ্যেই খেলাধূলা করারও চেষ্টা করতে পারেন। করতে পারেন হালকা কিছু ব্যায়াম।

কমিকস পড়ুন: মন হালকা রাখতে কমিকস বা কৌতুক পড়ুন। কারণ রসবোধ মানুষের আয়ু বাড়ায়। এছাড়া হাস্যরস আপনার জীবনের আকর্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং দূর করবে কোয়ারিন্টিনের একাকীত্ব। সুতরাং পরিস্থিতিকে সহজভাবে দেখার চেষ্টা করুন।

মন ভালো রাখুন: আপনাকে মনে রাখতে হবে সমস্যার সূত্রপাত হবে আপনার মনের ভিতর থেকে। তাই মন ভালো রাখার বিকল্প কিছু নাই। কোয়ারেন্টিনে আপনি যদি সারাক্ষণ খারাপ দিকগুলো নিয়ে ভাবেন তাহলে তো একে জেলখানা বলে মনে হবে। তাই ভালো কিছু চিন্তা করুন। হতে পারে সেটা অতীতের কোনও আনন্দদায়ক স্মৃতি বা প্রিয় কোনও মানুষের সঙ্গে কাটানো সময় ।

মোবাইল বা নেটে যোগাযোগ করুন: আপনার এমন অনেক আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব রয়েছে যাদের সঙ্গে আপনি অনেকদিন যোগাযোগ রাখেননি। কেননা আপনি এতদিন খুব ব্যস্ত ছিলেন। এই সুযোগে তাদের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করুন।

বই ও ভিডিও: অনেকের বই পড়ার অভ্যাস আছে। যাদের নেই তারাও এই সুযোগে অভ্যাসটি রপ্ত করে নিতে পারেন। প্রিয়জনদের বলুন আপনার জন্য পছন্দনীয় কিছু বই জোগাড় করে দিতে। পাশাপাশি ভিডিওতে ভালো মুভি বা নাটক দেখতে পারেন। আমাদের দেশেই অনেক ভালো মানের নাটক হচ্ছে আজকাল, তাছাড়া হাসির নাটকও কিন্তু কম হয়নি। এগুলোর ভিডিও জোগাড় করে দেখুন। স্মার্টফোনেও পেয়ে যাবেন এমন অনেক নাটক।

এভাবে চললে কোথায় কখন যে কেটে যাবে কোয়ারেন্টিনের ১৪ দিন টেরই পাবেন না। বেশি বেশি কমিকস পড়ুন আর হাসুন
সূত্র: বিবিসি’র ভিডিও অবলম্বনে

Check Also

বউ সাজলে আমাকে কেমন লাগবে সেটা বুঝে ফেলেছি, বিয়ে করতে মন চাচ্ছে না: দীঘি

প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনেত্রী। সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ওয়েব ছবি ‘শেষ চিঠি’। ওয়েব …

Leave a Reply

Your email address will not be published.