Breaking News

করোনা নিয়ে দিলো বড় সুখবর, ১১ দিন পর হবে না আর সংক্রমণ

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, কোনও একজন করোনাভাইরাস রোগী আক্রান্ত হওয়ার ১১ দিন পর অসুস্থ থাকলেও তারা অন্য কাউকে সংক্রমিত করতে পারেন না। সিঙ্গাপুরের গবেষকদের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ডেইলি মেইলের।

গবেষকরা বলছেন, লক্ষণ দেখা দেয়ার প্রায় দুইদিন আগে থেকে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সংক্রমণ ছড়াতে পারে। পরবর্তীতে জ্বর এবং নতুন ও ক্রমাগত কাশিসহ বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়ার পর ৭ থেকে ১০ পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়াতে পারেন আক্রান্ত ব্যক্তি।

সিঙ্গাপুরের এই গবেষক দল বলছে, ১১ দিন অসুস্থ থাকার পর কোভিড-১৯ কে আলাদা বা কালচার করা যায়নি। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশাস ডিজিজেস এবং দ্য অ্যাকাডেমি অব মেডিসিনের গবেষকরা ৭৩ জন করোনাভাইরাস রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন।

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কাউকে সংক্রমিত করে কিনা সেটা দেখতে চেয়েছেন গবেষকরা। তারা দেখেছেন যে, আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে দুই সপ্তাহ পর করোনাভাইরাস থাকলেও তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারেন না।

এরপর গবেষকরা লিখেন, করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর যে ডাটা সংগ্রহ করা হয়েছে, তাতে দেখা গেছে, লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে লক্ষণ দেখা যাওয়ার দুইদিন আগে সংক্রমণের সময় শুরু হয় এবং এটা ৭-১০ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

তারা আরও ‍ লিখেন, প্রথম সপ্তাহের পর অ্যাক্টিভ ভাইরাল রেপ্লিকেশন খুব দ্রুত কমতে থাকে এবং দ্বিতীয় সপ্তাহে এটা কাউকে সংক্রমিত করতে পারে না।

লাউয়ের রসে আতঙ্ক, ঘটতে পারে মৃত্যুও!

নিশ্চয়ই জানেন, লাউ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। গরমে লাউ দেহে আরাম দেয়। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এর জুড়ি নেই। তাছাড়া দেহের নানা রোগ প্রতিরোধে লাউ অতুলনীয়।

অনেককেই দেখা গেছে ওজন কমাতে লাউয়ের রস পান করেন। সম্প্রতি জানা গেছে, লাউয়ের রস স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, এমন কি জিনিস আছে যা লাউয়ের রসকে বিষাক্ত বানায়? চলুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে বিস্তারিত-

ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিকেল রিসার্চের এক গবেষণার মতে, লাউয়ে থাকে কুকুর্বিটাসিন্স। যার জন্য লাউয়ের তেতো স্বাদ আসে। শাক-সবজি আজকাল অনেক কঠিন পরিস্থিতে চাষ করা হয়। যেমন- বেশি তাপমাত্রা, অল্প পানি ইত্যাদি। তাই তেতো লাউয়ের রস খেলে মৃত্যুও হতে পারে। এমনকি পেটে ব্যথা আর বমিও হয় যদি তেতো স্বাদের লাউয়ের রস পান করা হয়।

কনসালটেন্ট পুষ্টিবিজ্ঞানী ডাক্তার রুপালি দত্ত বলেন, লাউয়ের রস ক্ষতিকারক কি না সেটা এখনো প্রমাণ হয়নি। তবে লাউ বিষাক্ত হতেই পারে কেননা এত রকমের কেমিক্যাল ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয় লাউ চাষে।

তাই তেতো স্বাদের লাউ বা তার রস পান করবেন না। চেষ্টা করবেন কেমিক্যাল ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না এমন লাউ খেতে ও তার রস পান করতে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরো পড়ুন
শিশুর বুকে জমে থাকা কফ গলানোর দারুণ কৌশল

ঋতুর পরিবর্তনের কারণে সব থেকে বেশি রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। হঠাৎ বৃষ্টি, রোদ, ঠাণ্ডা বাতাস এবং শীত শীত আবহাওয়ায় শরীরও ঠাণ্ডা জ্বর বা বুকে কফ জমাতে আক্রান্ত হয়।

শিশুদের বুকে কফ জমে গেলে শিশুর সঙ্গে সঙ্গে ভুগতে হয় মা-বাবাকেও। তাছাড়া এই কফ থেকে শিশুর শ্বাসকষ্টও হয়। যা থেকে একসময় নিউমোনিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। তাই কষ্ট কমাতে ও বিপদ এড়াতে জেনে নিন শিশুর বুকে জমে থাকা কফ গলানোর কৌশল-

> ২টি রসুনের কোয়া ও ১ টেবিল চামচ মৈরি ভাল করে ভেজে বেটে নিন। এবার এই মিশ্রনটি একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেধে পুটলি তৈরি করে শিশুর ঘুমানোর স্থানে রেখে দিন। এটি গরম হয়ে এর থেকে বের হওয়া বাষ্প শিশুর বন্ধ নাক খুলে দেবে। এটি শিশুর ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে।

> বাচ্চাকে ঠান্ডায় টমেটো এবং রসুনের স্যুপ খাওয়াতে পারেন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে কফ গলিয়ে আরাম দেবে।

> গরম পানির সঙ্গে এক চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটিও আপনার শিশুটিকে আরাম দিবে।

> শিশুর সর্দি কাশি হলে প্রতিদিন বাচ্চাকে কুসুম গরম পানিতে শিশুটিকে গোসল করাতে হবে। এতে সর্দি বুকে বসতে পারেনা।

> রোগ জীবাণুর কারণে আপনার শিশুটি ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। এতে সে দু'র্বল হয়ে পড়ে। তাই এসময় শিশুর পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন। এটি শরীরের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায়।

> একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে সেটি শিশুটিকে ভাপ দিন। এভাবে শিশুটিকে কিছুক্ষণ রাখুন। গরম পানির ভাব শিশুর নাকের ছিদ্র পরিষ্কার করে দেয়।

> সর্দি কাশিতে দ্রুত আরাম পেতে শিশুটিকে নাকের ড্রপ দেয়া যেতে পারে।

Check Also

বরগুনায় বাবার অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মা-মেয়েকে মারধর

বরগুনার আমতলীতে সাকিব খান নামে এক মাদকসেবী যুবকের সঙ্গে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় মা-মেয়েকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.