Breaking News

করোনা ভ্যাকসিন পরীক্ষায় সাফল্য, বিপদের দিনে বাংলাদেশকে সুখবর দিল চীন!

বাংলাদেশে প্রতিদিনই জ্যামিতিক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, হিমিসিম খাচ্ছে ডাক্তার নার্স হতে শুরু করে সবাই প্রাণ হারাচ্ছে অনেক মানুষ। এমতাবস্তায় বাংলাদেশের জনগণদের সাহায্যে হাত বাড়িতে আসছে চীনের বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম।

চিকিৎসক, নার্স ও প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত একটি চীনা মেডিকেল টিম কোভিড-নাইনটিন প্রতিরোধে সহায়তা দিতে আগামী ৮ জুন বাংলাদেশে আসছে। বুধবার (৩ জুন) ঢাকাস্থ চীনের দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বাংলাদেশে চীনা

দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন এবং কাউন্সেলর ইয়ান হুয়ালং এ সম্পর্কে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াই আরো জোরদার করতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ করেন। দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সেই আলোচনায় প্রেসিডেন্ট শি করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে ঢাকার পাশে থাকতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন

। বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই চীনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ৮ জুন যে চিকিৎসা টিমটি আসবে তারা চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মাধ্যমে সংগঠিত এবং হাইনান প্রদেশের ১০

অভিজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশে তারা দু’সপ্তাহ থাকার সময় রোগীদের পরিদর্শন করবেন এবং মনোনীত হাসপাতাল, কোয়ারেন্টিন সেন্টার এবং পরীক্ষার সাইটগুলোতে কাজ করবেন। করোনা মহামারি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসার জন্য নির্দেশনা ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেবেন।

আবারও সাধারণ ছুটি ঘোষণা নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে এবার পুরো দেশে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার দাবি জানিয়েছেন দেশের ৩৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘যদি দেখি আমাদের অবনতি ঘটছে তাহলেতো আমাদের (ছুটিতে যাওয়া ছাড়া) বিকল্প কিছু থাকবে না। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে নেয়ার জন্যই সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ যেন মাস্ক পরে নিরাপদ দূরত্বে থাকে, আমরা সেটা বলছি। যখন মানুষ এটা করতে ব্যর্থ হবে এবং এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। তখন তো ঘরে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

এদিকে, করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার অনুযায়ী সারাদেশকে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে। জানা গেছে, যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি সেসব এলাকাকে লাল বা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। ওই এলাকার লোকদের বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। বাইরে থেকেও রেড জোনে লোকদের প্রবেশ সীমিত করার উদ্যোগ নেবে সরকার।

আর যেসব এলাকায় করোনার সংক্রমণ কম, সেসব এলাকাকে হলুদ বা ইয়েলো জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এসব এলাকার আক্রান্তদের ঘরবাড়ি লকডাউন করে সংক্রমণের বিস্তার ঠেকানো হবে। আর যেসব এলাকায় এখনো করোনা রোগী পাওয়া যায়নি, সেসব এলাকায় যাতে বাইরের কেউ ঢুকতে না পারে, সে ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, এখনো জোন করা হয়নি। ঢাকা, নারায়াণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে। যদি কোনো জোন রেড হয় সেগুলো রেড করা হবে। তবে কোন এলাকা কোন জোনে পড়বে তা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা। এলাকাভিত্তিক লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জোনের মাধ্যমেই সব করা হবে। যেখানে বেশি সংক্রমিত হবে সেখানে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা যেভাবে পরামর্শ দেবেন সেভাবেই আমরা কাজ করবো।

Check Also

“বিশ্ববাজারে” স্বর্ণের ধস, ব্যাপক অস্থিরতা

“বিশ্ববাজারে” স্বর্ণের ধস, ব্যাপক অস্থিরতা! গত সপ্তাহজুড়ে বি,শ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। হঠাৎ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.