আঙুল ফোটাতে অনেক মজা লাগে কিন্তু আঙুল ফোটানো কতোটুকু নিরাপদ জানেন?

অনেকেরই আঙুল কিংবা দেহের বিভিন্ন অংশের অস্থিসন্ধি ফোটানো অভ্যাস থাকে। তবে এ অভ্যাস সম্পর্কে অনেকেরই বিস্তারিত জানা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আঙুল কিংবা দেহের যে কোনো অস্থিসন্ধি ফোটানো মোটেই উচিত নয়।

আঙুল ফোটানোএ বিষয়ে নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশিয়াল সার্জারি ইন্টিগ্রেটিভ কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক ড. ক্রিস্টোফার অ্যানসেলমি বলেন, ‘ফুটানো বা নিজেই নিজের দেহের কোনো অস্থিসন্ধি সেলফ-অ্যাডজাস্ট করা যদি অভ্যাস হয়ে যায় তাহলে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ জয়েন্টগুলোতে রয়েছে লিগামেন্ট, টেন্ডন ও অন্য সফট টিসুর কাঠামো, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চাপই এগুলো ভেঙে দিতে পারে।’ অনেকেরই আঙুল ফোটানোর শব্দ পছন্দ। যদিও এটি আঙুল ভেঙে ফেলে না।

আমাদের দেহের অস্থিসন্ধিগুলোতে থাকে তরল পদার্থ ও নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। এ তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করা হলে তা গ্যাসগুলো নির্গমণ করে এবং ফুটানোর শব্দটি শোনা যায়। অনেকেরই মেরুদণ্ডের হাড়গুলো ফোটানো অভ্যাস থাকে। এটিও ক্ষতিকর বলে জানান চিকিৎসকরা। এ কাজটি করলে মেরুদণ্ডের মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

কাপড় ধোয়ার পরও থেকে যায় করোনার জীবাণু, তবে উপায়!
কাপ’ড়ে ঠিক কতদিন করো’না ভা’ইরাস সক্রিয়া থাকে তার সঠিক তথ্য এখনো মেলেনি। অনেকেই ভেবে থাকে, কাপড় সাবান পানি দিয়ে ধুলেই বোধ হয় জী’বাণু ধ্বং’স হয়ে যায়! মোটেও না এক্ষেত্রে কাপড় পরি’ষ্কারের পরও থেকে যায় যায় জী’বাণু।

আর তা ধ্বং’সের উপায় হলো উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োগ।
এজন্য কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সা’বধানতা অবলম্বন করার প’রামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ঘরে ‘কো’ভিড-১৯’ এ আক্রা’ন্ত রো’গী থাকলে তার জামা-কাপড় পরি’ষ্কার করার ক্ষেত্রে বেশি সা’বধান হতে হবে।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জা’নিয়েছেন, এই সময় জামা-কাপড় পরি’ষ্কারের ক্ষেত্রে উচ্চ তাপমাত্রা উপকারী হতে পারে। কাপড় পরি’ষ্কার করা আর জী’বাণু মু’ক্ত করার মধ্যে পার্থক্য আছে। পরি’ষ্কার করার মাধ্যমে সংক্রামক ভা’ইরাস, ব্যাকটেরিয়া ছড়ানো হয়ত থামানো যায়, তবে তা স’ম্পূর্ণ ধ্বং’স হয় না। এজন্য কাপড় রাসায়ানিক উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে জী’বাণুমু্ক্ত ক’রতে হবে।

বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থা ও সিডিসি (সেন্টার ফর ডিজিজ ক’ন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন) বলে, করোনাভা’ইরাসবাহী ড্রপলেটের মাধ্যমে এই ভা’ইরাস প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুভাবেই ছড়াতে পারে। করো’না ভা’ইরাসবাহী রেসপিরাটরি ড্রপলেট হাঁচি-কাশির সময় পরিধেয় জামা-কাপ’ড়েও প’ড়ে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে ধাতব, কাচ ও প্লাস্টিক সমতলে এই ধ’রনের ভা’ইরাস প্রায় নয় দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। তবে এই সমতলগুলো যেভাবে জী’বাণু মু’ক্ত করা যায়, কাপ’ড়ের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়।

কাপড় জী’বাণু মু’ক্ত করার উপায়
> যেসব পরি’ষ্কারক পণ্য আপনি নিয়মিত কাপড় পরি’ষ্কারে ব্যবহার করেন সেগুলোর স’ঙ্গে ব্লিচিং পাউডার রাখু’ন। ব্লিচিং পাউডার কাপড়কে জী’বাণু মু্ক্ত ক’রতে বেশি কা’র্যকরী।

> কোয়াটেনারি অ্যামোনিয়াম আছে এমন পরি’ষ্কারক ব্যবহার করলে আরো ভালো। তবে এটি ব্যবহারের পূর্বে জানতে হবে তা কোন ধ’রনের কাপ’ড়েরর জন্য উপযুক্ত।

> বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থার মতে, কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে পানি ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের হওয়া উচিত। তবে কিছু কাপড় গরম পানিতে ধোয়া যায় না। তাই সা’বধান থাকতে হবে। ধোয়ার পর কাপড় ভালোভাবে রোদে শুকাতে হবে।

> কাপড় ধোয়ার সময় হাতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। কাজ শেষে তৎক্ষণাত কুসুম গরম পানি ও সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। অবশ্যই মুখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

> যে পাত্রে ময়লা কাপড় ভিজিয়েছিলেন কিংবা যে ওয়াশিং মেশিনে কাপড় পরি’ষ্কার করলেন সেটাও ব্যবহারের পর জী’বাণু মু’ক্ত ক’রতে হবে।

> বাইরে থেকে ধোয়া কাপড় তুলে আনার পর আবার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

সূত্র: মেডিকেলনিউজটুডে

Check Also

ছোটদের পছন্দের মুচমুচে আলুর চিপস তৈরির সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

উপকরণঃ ২টি বড় আলু, ৩টেবিল চামচ লবণ, ১ চা চামচ বিট লবণ, ১/২ চা চামচ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *