Breaking News

স্ত্রীর পায়েই লুকিয়ে আছে স্বামীর সৌভাগ্যের চাবিকাঠি!

স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত- এমন কথাই চালু আছে। কিন্তু ব্যতিক্রম যে আছে তা জানলে আত্মা শুকিয়ে যাবে। সামুদ্রিক শাস্ত্র বলছে, স্ত্রীর পায়েই লুকিয়ে রয়েছে স্বামীর সৌভাগ্যের চাবিকাঠি! তাই স্ত্রীকে যত্নে রাখলেই স্বামীর উত্থান অবিশ্যম্ভাবী। শাস্ত্র অনুযায়ী স্ত্রীয়ের পায়ের পাতায় থাকা একাধিক লক্ষণই বলে দিতে পারে তার স্বামী নিজের পরিশ্রমের দ্বারা কতটা উন্নতি করতে পারবেন। চলুন দেখে নেওয়া যাক, স্ত্রীয়ের পায়ের পাতায় কোন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

পায়ের আঙুল- পায়ের পাতার দ্বিতীয় আঙুল যদি একটু লম্বা হয় তাহলে সেই মহিলা অত্যন্ত যুক্তিবাদী হন। যা অনেক ক্ষেত্রে হয়তো স্বামীর ক্ষেত্রে তা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রাথমিকভাবে, কিন্তু পরে এই যুক্তিবোধের কারণেই স্বামীর পাশে দাঁড়ান এই মহিলারা।

চূড়ার মত আঙুলের আকার-স্ত্রীর পায়ের পাতার আঙুল যদি পাহাড়ের চূড়ার মত হয়। তাহলে জেনে রাখতে হবে, সেই মহিলা স্বামীর জন্য খুবই শুভ। পায়ের পাতার এরকম আকার স্বামীর জন্য খুবই ভালো।

চলাফেরা- স্ত্রীয়ের চলার সময় যদি পায়ের পাতার কনিষ্ঠা ও অনামিকা মাটি না ছোঁয়, তাহলে সেই মহিলাকে নিয়ে খানিকটা অস্বস্তিতে পড়তে পারেন তার স্বামী।

গোড়ালি- পায়ের গোড়ালি যদি গোলাকার হয় স্ত্রীর, তাহলে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে বিলাসবহুল জীবন। আর সেজন্য স্ত্রীর পায়ের যত্ন নিন! যাতে তার পায়ের গোড়ালি সুন্দর থাকে। পায়ের প্রথম দুটি আঙুলের মধ্যে ফাঁকপায়ের প্রথম দুটি আঙুলের মধ্যে ফাঁক যদি কম থাকে, তাহলে সেই স্ত্রীর গড়নের জোরে স্বামীর ভাগ্য উজ্জ্বল হবে।

সুন্দরী হলেও যে গ্রামের মেয়েদের বিয়ে করতে চায় না কেউ!

সুন্দরী হলেও যে – সেই গ্রামের মেয়েরা যথে’ষ্ট সুন্দরী। গ্রামটিও একেবারে গ’ণ্ডগ্রাম নয়, যোগাযোগ ব্য’বস্থা ভালো। গ্রামের মানুষ ভালো-মন্দ মি’লিয়ে সমান; এমন সব গ্রামেই দেখা যায়। তারপরও এই গ্রামে ছেলেরা বিয়ে করতে চায় না।

এর কারণ হল বানরের উ’ৎপাত। কথিত আছে- গ্রামে একটি ডা’কাত দল স’ক্রিয় র’য়েছে। তবে তারা কেউ মানুষ নয়, বানর! শুনে আপনার হাসি পেতে পারে। কিন্তু সংবাদমা’ধ্যমগুলো বলছে- এ কথা সত্য। ভারতের ভোজপুর জেলার রতনপুর গ্রামের কথা প্রায়ই পত্রিকার পাতায় উঠে আসে এই বানর দলের কারণে।

গ্রামে বা’সিন্দাদের তুলনায় বানরের সংখ্যা অনেক বেশি এবং বানরের দল গ্রামবাসীদের সবসময় আ’তঙ্কের মধ্যে রাখে। যে কোনো অ’নুষ্ঠান- বিয়ে কিংবা জন্মদিন এমনকি শ্রা’দ্ধ অ’নুষ্ঠানেও বানরের দল হানা দিতে দেরি করে না। খাবার ন’ষ্ট করে। ধাওয়া দিলে দাঁত-মুখ খি’চিয়ে উ’ল্টো তে’ড়ে আসে। তু’লকালাম কাণ্ড ঘটায়।

এই অ’নাকা’ঙ্ক্ষিত প’রিস্থিতি এড়াতে পাত্রপক্ষ ওই গ্রামে যেতে চায় না। বানরের আ’ক্রমণের চেয়ে তারা নি’রাপদে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। যে কারণে যখন রতনপুর গ্রাম থেকে বিয়ের প্র’স্তাব আসে, বর এবং তার পরিবার সুস্প’ষ্ট এই কারণ দে’খিয়ে ঘ’টককে বিদায় করে দেয়।

স্থা’নীয় প্র’শাসন বি’পর্যয় রোধে য’থাসাধ্য চে’ষ্টা ক’রেছে। কিন্তু বানরের ক্র’মবর্ধমান সং’খ্যার কারণে তারা সফল হয়নি। বিশেষ করে কোনো আয়োজন উপল’ক্ষ্যে যখন ভালো-মন্দ খাবার তৈরি করা হয় তখন বানরগুলো হা’মলা চা’লায়। অ’তীতেও এই গ্রামে এভাবে অনেক বিয়ের অনুষ্ঠান ভু’ণ্ডল হয়ে গেছে।

Check Also

নিজের স্ত্রী ব্যাগে পেন খুঁজতে গিয়ে স্বামী এমন জিনিস দেখতে পেল যেটি দেখে তাঁর হুঁশ উড়ে গেল

একটি সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল বিশ্বাস। বিশ্বাস না থাকলে কোন সম্পর্ক ভালো জায়গায় থাকতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.