করোনা চিকিৎসায় বাজারে নতুন ওষুধ

কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য বাজারে আসছে নতুন ওষুধ ফ্যাবি ফ্লু। ভারতের মুম্বাইয়ের গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস নিয়ে আসছে ওষুধটি। এরই মধ্যে ওষুধ তৈরি ও বিক্রির ছাড়পত্রও দিয়েছে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মৃদু থেকে মাঝারি উপসর্গের করোনা রোগীদের জন্যই ফ্যাবি-ফ্লু ব্যবহৃত হবে। এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধটির ৮৮ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করেছে ডিসিজিআই। কো-মর্বিডিটির রোগীদের বেলায়ও এ ওষুধ দারুণ কার্যকর বলে দাবি করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা গ্লেনমার্ক।

মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজির অধ্যাপক ও গবেষক তন্ময় বিশ্বাস বলছেন, এখনও নিশ্চিত হওয়ার কিছু নেই, কোনো ড্রাগের চার দফা ট্রায়াল চলে। এখন পর্যন্ত ফ্যাবি ফ্লুর তিন দফা হয়েছে। এই তিন দফা ট্রায়ালের ফল তুলনামূলকভাবে ভালো। এ গ্রুপের ওষুধ আগে ফ্লুর মহামারির সময় ব্যবহার করা হয়েছিল।

প্রথম দিনে ১৮০০ মিলিগ্রাম দিনে দু’বার, তারপর ১৪ দিন পর্যন্ত ৮০০ মিলিগ্রাম দিনে দু’বার এভাবে গ্রহণ করতে হবে ফ্যাবি ফ্লু। এদিকে, এক সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসছে ‘করোনিল’ নামের একটি ওষুধ। এই ওষুধে করোনা সারবে বলে দাবি ভারতের যোগগুরু রামদেবের। তার কোম্পানি পতঞ্জলি আনছে ওষুধটি।

পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা ও যোগগুরু রামদেব দাবি করেছেন, ‘করোনিল ও স্বসারি’ নামের ওষুধগুলো সারাদেশে ২৮০ জন রোগীর ওপর গবেষণা ও পরীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলাকালীন ১০০ শতাংশ সাফল্য মিলেছে বলেই দাবি করেছে পতঞ্জলি।সারা’বিশ্ব জুড়ে বিজ্ঞানীরা করো’নার প্রতিষেধক আবিষ্কারে দিন পার করছে। তবে এখনো তা সম্ভব হয়নি। এদিকে প্রা’ণঘাতী ভাই’রাসে প্রতিদিন আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রা’ণ হারাচ্ছেন কোভিড-১৯ রোগীরা।

করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরাম’র্শ দিয়েই যাচ্ছেন। এবার করো’নার সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন কিছু নতুন পরাম’র্শ। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করুন বা মেনে চলুন তাতেই করো’নাভাই’রাস থেকে নিজেকে বাঁ’চাতে পারবেন। জেনে নিন সেগুলো-

> স্বাগত জানাতে নিশ্চয় জড়িয়ে ধ’রা বা করম’র্দন করেন। এখন এই অভ্যাস বাদ দিন। অনেকেই কনুইয়ের সঙ্গে কনুই লাগিয়ে করম’র্দন সারছেন। এটিও করবেন না।
> সামাজিক দূরত্ব অবশ্যই মেনে চলতে হবে। অন্তত ছয় ফিট দূরত্ব মেনে চলাচল করুন। কারণ কাছাকাছি থাকলে অন্য ব্যক্তির নিঃশ্বা’স বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে আপনি সংক্রমিত হতে পারেন।
> বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পড়তে ভুলবেন না। এতে আপনি সংক্রমণের হাত থেকে অনেকাংশেই সুরক্ষিত থাকতে পারবেন।

> আপনার যদি নাকে মুখে হাত দেয়ার অভ্যাস থাকে তা বর্জন করুন। হাতে করো’নাভাই’রাস লেগে থাকে সাবান পানি দিয়ে যতক্ষণ না ধুচ্ছেন ততক্ষণ। এর মধ্যে যদি জীবাণুযু’ক্ত হাতে মুখ, নাক, চোখ স্প’র্শ করেন তবে সনহক্রমিত হতে পারেন।
> হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় কী’ করবেন জানেন তো? মুখে টিস্যু বা কনুই দিয়ে ঢেকে নিন। এরপর হাত ভালো’ভাবে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

> যেখানে সেখানে থুথু ফেলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এতে করে করো’নাভাই’রাস ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।
> ঘর বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখু’ন। বাড়ির সব জিনিস জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন।
এই অভ্যাসগুলোর কথা শুরু থেকেই স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন। এগুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন। এতে করে করো’নার সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
সূত্র: টাইমসঅবইন্ডিয়া

Check Also

এই ছোট্ট মেয়ে পেলেন বিশ্বের সেরা সুন্দরী শিশুর শিরোপা, রইল তার আসল পরিচয়

নীল চোখের ছোট্ট পরী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জন্মানোর পর থেকেই তার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *