Breaking News

যে’সব খাবার খেলে কাছেও ঘেঁষবে না ক’রোনা ভাইরাস !

বাংলাদেশ টিমঃ- ক’রোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক’রোনাভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃ’তের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৮৭।

প্রা’ণঘাতী ক’রোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য মাস্ক ব্যবহার ও হাত ধোয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে ক’রোনাভাইরাস প্র’তিরোধ করা যায়। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যা করোনা প্রতিরোধ করে।

রান্নায় আদা:- খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আদা। রান্না করা খাবারে আদা ব্যবহার করুন। পারলে দিনে দু-একবার আদা চাও খেতে পারেন।

কাঁচা রসুন:- এই ভাইরাস প্রতিরোধে খেতে পারেন রসুন। তবে রান্না করা রসুনে সেই গুণ মেলে না। তাই পানি ফুটিয়ে কিংবা কাঁচা রসুন খেতে পারেন।
খেতে পারেন সবুজ সবজি। সিদ্ধ ও রান্না করে খেতে পারেন সবজি।

প্রতিদিন দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর দই খান। তাতে দেখবেন আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য যেমন ফিরবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ, নারিকেল দুধ ও ঘি মিশিয়ে খান।

খেতে পারেন গ্রিন টি। প্রতিদিন ২-৩ কাপ করে এই চা খান। তাতে দেখবেন অনেক বেশি তরতাজা হয়ে গেছেন আপনি। নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখুন। বিশেষত পেয়ারা, জাম খেতে পারেন।

ভাইরাসের কোষকে ধ্বংস করার জন্য খাদ্যতালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। কুমড়োর দানা শুকিয়ে খেতে পারলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এ ছাড়া বাঁধাকপি, পেঁয়াজকলি, টমেটো, পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন একসঙ্গে সিদ্ধ করে খেতে পারেন। তাতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

করোনার টিকাই লাগবে না যেসব রোগীর জানালেন অক্সফোর্ডের গবেষক

বিশ্ব মহামারি করোনাকে বিদায় জানাতে যে টিকার জন্য সারা বিশ্ব অপেক্ষা করছে, সেই টিকা নাকি সব রো’গীর প্রয়োজন হবে না। এমনই মন্তব্য করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারি বিশেষজ্ঞ ও গবেষক সুনেত্রা গুপ্ত। ভারতের দ্য হিন্দুস্থান টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই ম’ন্তব্য করেন বলে জানা গেছে।

সুনেত্রা গুপ্ত বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত যা দেখেছি তাতে শারীরিকভাবে সুস্থ, বয়স্ক অথবা রুগ্ন নন অথবা শরীরে বড় ধরনের কোনো রো’গ অথবা কোমরবিডিটি নেই। তাদের ক্ষেত্রে এই ভা’ইরাস সাধারণ জ্বরের চেয়ে উদ্বেগজনক কিছু নয়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মহামারি বিশেষজ্ঞ বলেন, টিকা আবিস্কার হলে মূলত

যারা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন তাদের জন্যই ব্যবহৃত হবে; এটা নিয়ে আমাদের অধিকাংশের চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই। গুপ্ত বলেন, তিনি মনে করেন করোনা ভা’ইরাস মহামারি

প্রাকৃতিকভাবেই শেষ হয়ে যাবে এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই এটা মানুষের জীবনে একটা অংশ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, আশা করি ইনফ্লুয়েঞ্জার চেয়ে কোভিড-১৯ এ মৃ’ত্যু কম হবে। আমি মনে করি করোনা ভা’ইরাসের ভ্যাকসিন

তৈরির কাজ মোটামুটি সহজ। চলতি গ্রীষ্মের শেষের দিকে আমাদের হাতে ভ্যাকসিন কার্যকর হওয়ার প্রমাণ চলে আসা উচিত। তবে লকডাউনকে অত্যন্ত বিচক্ষণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করলেও ভা’ইরাসকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দূরে রাখতে এটি যথেষ্ঠ

নয় বলে মন্তব্য করেন গুপ্ত। ভা’ইরাসের দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব বিশ্বের অনেক জায়গায় শুরু হয়েছে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। অক্সফোর্ডের এই অধ্যাপক বলেন, অনেক দেশ সফলভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে এবং এখন তারা ভা’ইরাসের পুনরুত্থান দেখছে।

Check Also

ছোটদের পছন্দের মুচমুচে আলুর চিপস তৈরির সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

উপকরণঃ ২টি বড় আলু, ৩টেবিল চামচ লবণ, ১ চা চামচ বিট লবণ, ১/২ চা চামচ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.