Breaking News

বয়লার মুরগি প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ জানালেন চিকিৎসক!

ব্রয়লার মুরগি শ’রীরের পক্ষে ক্ষ’তিকর এবং এই মুরগির মাংস খেলে ক্যা’ন্সার পর্যন্ত হতে পারে বলে উঠে এসেছে বিভিন্ন গবে’ষণায়। তাই চিকিৎসকরা ব্রয়লার মুরগির পরিবর্তে দেশি মুরগি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্রয়লার মুরগির কিছু ক্ষ’তিকর দিক:

১। বিশেষজ্ঞের মতে, মাত্রাতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি খেলে র’ক্তে ক্ষ’তিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃ’দ্ধি পাওয়ার স’ঙ্গে স’ঙ্গে ক্যা’ন্সার আ’ক্রান্ত হওয়ার আ’শঙ্কাও বৃ’দ্ধি পায়।

২। কাঁচা মাংসে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে যেভাবে একাধিক মুরগিকে এক স’ঙ্গে রাখা হয়, তাতে দু-পাঁচটার শ’রীরে সেই ক্ষ’তিকর ব্যাকটেরিয়াগু’লি প্রবেশ করে।

যখন মুরগি কা’টা হয় তখনও জীবিত মুরগির শ’রীর থেকে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়া চলে যাওয়ার আ’শঙ্কা থেকে যায়। আর এই জী’বাণু যদি আমাদের শ’রীরে প্রবেশ করে তাহলে একাধিক রো’গে আ’ক্রান্ত হওয়ার আ’শঙ্কা থাকে।

৩। পোলট্রিতে বড় করার সময় ব্রয়লার মুরগিকে অ্যান্টি বায়োটিক ই’নজেকশন দেওয়া হয়। ফলে এমন ধরনের মুরগি বেশি খেলে আমাদের শ’রীরেও অ্যান্টি-বায়োটিক রেজিস্টেন্স তৈরি হয়ে যাওয়ার আ’শঙ্কা থাকে। আমাদের দেশে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিসটেন্সের হার বাড়ার পেছনে ব্রয়লার মুরগির অবদান যে, কোন অংশে কম নেই।

ঘরোয়া তিন খাবারেই ফুসফুস থাকবে পরিষ্কার

র’তিদিনের কিছু ভু’ল অ’ভ্যাসের কারণে আমাদের ফুসফুস ন’ষ্ট হতে থাকে। তাছা’ড়া যাদের ধূমপানের অ’ভ্যাস রয়েছে, তাদের ফুসফুস ন’ষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁ’কি স’ব থেকে বেশি। ধূমপান ফুসফুসকে ভীষণভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত করে। ধূমপানের কারণে ফুসফুসে বি’ষাক্ত প’দার্থ জমা হয়। এর ফলে ফুসফুস ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়ে ক্যানসারও হতে

পারে। তবে এমন কিছু খাবার আ’ছে, যা ফুসফুস প’রিষ্কা’র রাখতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো- আ’দা প্র’তিদিনের রান্নায় আম’রা অনেকেই আ’দা ব্যবহার করি। অনেকেই আবার আ’দা দিয়ে চা বানিয়েও পান করেন। ঘ’রোয়া দাওয়াই হিসেবে আ’দা বেশ প’রিচিত। এটি শ্বা’সতন্ত্রের ক্ষ’তিকর প’দার্থ ন’ষ্ট করতে সাহায্য করে। প্র’তিদিন সকালে এক টুকরো আ’দা চিবি’য়ে খেলে ফুসফুস থেকে ক্ষ’তিকর প’দার্থ সরে যাবে। ফলে ফুসফুস প’রিষ্কা’র থাকবে।

লেবু লেবুর অনেক ওষুধি গুণ রয়েছে। কুসুম গরম পানিতে সামা’ন্য লবণ ও লেবু মিশিয়ে নিয়’মিত পান করলে ফুসফুস প’রিষ্কা’রে ভা’লো ফলাফল পাওয়া যায়। এছা’ড়া লেবু ওজ’ন কমাতেও বেশ স’হায়ক। গ্রিন টি নিয়’মিত চা পানের অ’ভ্যাস অনেকেরই থাকে। তবে তা দুধ চা না হয়ে গ্রিন টি হলে স’ব চেয়ে বেশি উপকারী। এটি দে’হের নানান রো’গ থেকে মুক্তি দেয়। এমনকি ফুসফুস প’রিষ্কা’র রাখতেও স’হায়তা করে। তাই স’বুজ চা খাওয়ার অ’ভ্যাস গড়ে তুলুন।

Check Also

মুহূর্তেই গলার কাঁটা দূর করার ঘরোয়া উপায়

‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ একটি সুপ্রাচীন লোককথা। মাছ ছাড়া বাঙালির আহার যেন এক বেলাও সম্পূর্ণ হয় না। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *