Breaking News

কন্যাসন্তান হলে তার ক্লিনিকে স’ব ফ্রি

তিনি একজন গাইনি ডাক্তার। তার হাতে কোন কন্যাসন্তান হলে তিনি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। সবাইকে মিষ্টি মুখ করান। কোনো চিকিৎসা ফি নেন না। এমনকি তার ক্লিনিকে কন্যাসন্তানের সব চিকিৎসা ফ্রি। বলছিলাম মহান নারী ডা. শিপ্রা ধরের কথা।

ভারতের বারানসিতে একটি নার্সিংহোম চালান ডা. শিপ্রা ধর। তার নিজস্ব ক্লিনিকে মেয়ে বাচ্চার জন্ম হলেই সবকিছু সম্পূর্ণ ফ্রি হয়ে যায়। এমনকি অপরেশনের জন্যেও কোনো টাকা পর্যন্ত নেন না তিনি।

জানা গেছে, তিনি তার নার্সিংহোমে এই পর্যন্ত ১০০ জন মেয়ে সন্তানের সফল ডেলিভারি করিয়েছেন। বেশ কিছু দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারানসিতে আসেন। তখন শিপ্রা ধরের কাহিনী শুনে বেশ প্রভাবিত হন।

মোদির সঙ্গে শিপ্রা ধর দেখাও করেন। প্রধানমন্ত্রী সেই মঞ্চ থেকেই দেশের সমস্ত ডাক্তারের কাছে আবেদন করেন, মাসের ৯ তারিখে সন্তান জন্ম নিলে আপনারা কোনো ফি যেন না নেন। শিপ্রা ধরের স্বামী মনোজ কুমার শ্রীবাস্তব নিজেও একজন ডাক্তার। তিনিও উৎসাহ দেন স্ত্রীর এই সামাজিক কাজে।

কিডনির ময়লা যেভা’বে পরিস্কার করতে পারবেন আপ’নি নি’জেই

প্রতিদিন তো সব কিছুই করছেন। তেল, ঝাল, মশলা সব খাচ্ছেন। হাত ধু’চ্ছেন, মুখ ধুচ্ছেন। কিন্তু, প্র’তিদিন কিডনি প’রিষ্কার করছেন কি? আপনি হয়তো জানেন না। দূ’ষিত প’দার্থ জমে জমে বারোটা বাজছে কিডনি’র। চি’ন্তার কিছু নেই। এখন হাতের কাছেই আছে সমা’ধান।কি’ভাবে পরি’ষ্কার করবেন নি’জের কি’ডনি?

নিচে কয়েকটি ঘরোয়া’ টোট’কা দেওয়া হলো-দিনের পর দিন কিডনি ঠিক এভাবেই ছাঁকনির কাজ করে চলেছে। লবণ, বিষ ও অবা’ঞ্ছিত পদার্থ শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। কিন্তু কিডনি অকে’জো হয়ে গেলে শরী’রে’র ক্ষতিক’র বর্জ্য র’ক্তে জমা হয়। তখন বেঁচে থা’কাই মুশকিল। মা’রা’ত্মক ডায়েরি’য়া বা শরী’রে জ’লের অ’ভাবে কিডনি’র দফার’ফা হতে পারে।

টা’ইফয়েড বা ডে’ঙ্গু’জ্বর, অকা’রণ অ্যা’ন্টিবায়ো’টিক, ব্যথা কমানোর ওষুধের সাই’ড এফেক্ট থেকে কিডনির সমস্যা হতে পারে। অনি’য়’ন্ত্রিত ডা’য়াবেটিস, অনি’য়ন্ত্রিত উচ্চ র’ক্ত’চাপ এবং কি’ডনির নি’জস্ব কিছু রোগের কারণে কি’ড’নির ক্র’নিক সমস্যা তৈরি হয়। শেষ ধাপ এন্ড স্টেজ রে’নাল ডিজিজ।তখন প্রয়ো’জন ডায়া’লিসিস অথবা কিডনি ট্রা’ন্স’প্ল্যান্ট।ফাস্ট লাইফ’স্টাইল, চূ’ড়ান্ত ব্যস্ততার ‘জী’বনে কি’ডনির সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানু’ষের সংখ্যা খুব কম।

তাহ’লে কিডনি ভাল রা’খার উপায় কী’? হাতের কাছেই রয়েছে চট’জলদি সমা’ধান। প’রিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে একআঁটি ধনেপাতা।কু’চি কুচি করে কে’টে পাত্রে রাখ’তে হবে ধনেপাতা। পাত্রে কিছুটা পরিষ্কার জল নিয়ে ১০ মিনিট ফো’টাতে হবে। ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কা’র বোতলে রাখতে হবে। ফ্রি’জে রেখে দেওয়া যেতে পারে ওই বোতল। প্রতিদিন একগ্লাস করে ধনেপাতার জুস খেলেই হাতেনাতে মিলবে ফল। কিডনির মধ্যে জমে থাকা নুন এবং বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যাবে।

শুধু কি’ডনিই নয়। ধনেপাতা মহৌষধ। একআঁটি ধনেপাতায় রয়েছে ১১% ফাইবার, ৪% প্রোটিন, ১% ক্যালরি, ১% কার্বোহাইড্রেট, ১% ফ্যাট। ম্যাঙ্গানিজ ২১%, পটাসিয়াম ১৫%, কপার ১১%, আয়রন ১০%, ক্যালসিয়াম ৭%। এতে রয়েছে ৩৮৮% ভিটামিন ‘কে’, ১৩৫% ভিটামিন ‘এ’, ৪৫% ভিটামিন ‘সি’, ১৬% ফলেট। ধনেপাতায় হা’জার গুণ।

এগজিমা সা’রায়, বমি’ভাব কমায়, পেটের গন্ডগোল ক’মায়, আল’সার সা’রায়, সতেজ হয় শ্বা’স-প্র’শ্বা’স, হ’জমে সাহায্য করে, ব্লাড প্রে’শার কমায়, অ্যা’নিমিয়া কমায়, ডায়া’বেটিসে প্র’চুর উপ’কার মেলে। হাড়ের স্বা’স্থ্য ভাল রাখে। কন’জাংটিভা’ইটিস থেকে চোখ’কে রক্ষা করে ধনে’পাতা। স্মল পক্স প্র’তিরোধ করে ধ’নেপাতা।

Check Also

নিজের স্ত্রী ব্যাগে পেন খুঁজতে গিয়ে স্বামী এমন জিনিস দেখতে পেল যেটি দেখে তাঁর হুঁশ উড়ে গেল

একটি সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল বিশ্বাস। বিশ্বাস না থাকলে কোন সম্পর্ক ভালো জায়গায় থাকতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.