১০টাকার চিনাবাদামেই স্বাস্থ্যর গু’প্তধন লুকিয়ে রয়েছে

শীতের এই সিজনকে খাবার ও পানীয়ের সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে অনেকেই বাদাম খায়। এতে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টি উপাদান। একে সস্তা বাদামও বলা হয়। আসলে এই বাদামের মধ্যে স্বাস্থ্যর গুপ্তধন লুকিয়ে রয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন শীতে চিনাবাদাম খাওয়া উচিত।

প্রোটিন সমৃদ্ধ – বাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায় যা শারীরিক বৃদ্ধির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি কোনও কারণে দুধ পান করতে না পারেন তবে চিনাবাদাম খাওয়া আরও ভালো বিকল্প।

ওজন কমে – চিনাবাদাম ওজন কমাতে খুব সহায়ক। চিনাবাদাম খাওয়ার পরে অনেকক্ষণ তা পেটে থাকে। যার ফলে অনেকক্ষণ খাবার খেতে হয় না, ফলে ওজন কমে।

হৃদরোগ দূর করে- চিনাবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজগুলি পরিপূর্ণ থাকে। এটি স্ট্রোক এবং হার্টের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করে। চিনাবাদামে উপস্থিত ট্রাইপটোফান হতাশা থেকে মুক্তি পেতেও সহায়ক।

ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস – চিনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্টেরল থাকে যা বিটা-সিটোস্টেরল নামে পরিচিত। এই ফাইটোস্টেরল ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে কার্যকর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সপ্তাহে কমপক্ষে ২ বার চিনাবাদাম খাওয়া নারী এবং পু'রুষদের মধ্যে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কম।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে – বাদামে প্রচুর মাত্রায় খনিজপদার্থ থাকে। এই খনিজগুলি ফ্যাট, শর্করা, বিপাক, ক্যালসিয়াম শোষণ এবং র'ক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় জানা গেছে, চিনাবাদাম খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২১ শতাংশ কমে যায়। তবে যদি কারোর আগে থেকে ডায়বেটিস থাকে, তবে কিন্তু বাদাম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

চেহারায় গ্লো- ত্বকের পাশাপাশি চিনাবাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। চিনাবাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বকে গ্লো এনে দেয়।

Check Also

হটাত করে নাক-কান-গলায় কিছু ঢুকে গেলে কী করবেন? জেনে রাখুন।

অনেকসময় না বুঝেই শিশুরা কিছু জিনিস নাক-কান কিংবা গলায় দিয়ে ফেলে। অনেক সময় তা বিপজ্জনকও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *